২০১৭ সালে ক্রিকেট বিশ্বের আলোচিত ঘটে যাওয়া ঘটনা

চলে যাচ্ছে ২০১৭। ২০১৭ সালে ক্রিকেট বিশ্বে ঘটে গেছে নানা রকম ঘটনা। সবগুলো ঘটনা একসাথে করে আপনাদের কাছে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের রেকর্ড

ক্রিকেট
জুনে অনুষ্ঠিত আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অষ্টম আসরে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে হারিয়ে প্রথম বারের মত শিরোপা জিতলো পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের কেনিংটন ওভালের একতরফা ফাইনালে পাকিস্তান ১৮০ রানের বিশাল ব্যবধানে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতবধ করে তাদের কাঙ্ক্ষিত বিজয় অর্জন করে।

খুব কম বয়সী তরুণ ফখর জামান (১১৪), আজহার আলী (৫৯) ও মোহাম্মদ হাফিজের (৫৭*) দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ৩৩৮ রানের পাহাড় গড়ে তুলে পাকিস্তান। জবাবে মোহাম্মদ আমির (৩/১৬), হাসান আলির (৩/১৯) দুর্ধর্ষ বোলিং ঝড়ে ভেঙে পড়ে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন দল ভারত। ৩০.৩ ওভারে মাত্র ১৫৮ রানে প্যাকেট হয়ে যায় ভারত। গ্রুপ পর্বে ভারতের সাথে এমন হারের পর বিভিন্ন মহলে পাকিদের সামর্থ নিয়ে প্রশ্ন তুলে ছিলেন।

ওভালে সেই ভারতকে উড়িয়ে স্বপ্নের শিরোপা জিতে নিয়ে অনেক বড় জবাব দিলো সরফরাজের পাকিস্তান দল। আসরে পাকিস্তান মোটেও ফেভারিট ছিলো না, অন্য দিকে বিরাট কোহলির ভারত আগের বারের চ্যাম্পিয়ন্স ছিলো। পাকিস্তানকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ফেভারিট হিসেবে রাখেনি কিন্তু সেই পাকিস্তান তাদের চিরো শত্রু ভারত কে লজ্জায় ডুবিয়ে তাদেরই হাতে ওয়ান্ডে ফর্মেটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব। সেটিও এমন দু-জনের পারফর্মের উপর নির্ভর করে টুর্নামেন্টের আগে অনেকেই যাদের নামও জানতো না। বিরাট কোহলি, ইয়ন মরগান, স্টিভেন স্মিথ, এবিডি ভিলিয়ার্সদের পিছু হটিয়ে পাকিদের সাফল্যের নেপথ্যের নায়ক ফখর জামান ও হাসান আলি নামের দুই নবীন খেলোয়ার।

আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের টেস্ট মর্যাদা অর্জন

আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ড জুনের শেষ সপ্তাহে টেস্ট মর্যাদা পায়। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সভায় আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডকে পূর্ণ সদস্যের সম্মান দেওয়ায় টেস্ট খেলুড়ে দেশের সংখ্যা ১০ থেকে ১২-তে পোঁছায়।লন্ডনে আইসিসির বার্ষিক সভায় সবার সম্মতিক্রমে দেশ দুটিকে পূর্ণ সদস্যের সম্মান দেয়া হয়। এর আগে ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পেয়েছিল।

মেলবোর্নে ১৮৭৭ সালে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলা লংগার ভার্সনের দুই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত, পাকিনস্তান, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুইয়ে ও বাংলাদেশের সঙ্গে কুলীন ক্লাবে যুক্ত হয়েছে আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ড।

ক্রিকেট আয়াল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী ওয়ারেন ডিউট্রন তার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আইরিশ ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত সকলের জন্যই এটা একটা সুসংবাদ। এই ইতিবাচক সিদ্ধান্তের জন্য আমি আইসিসি এবং সব সদস্য রাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানাই।’

এছাড়া তিনি আরও বলেন, ‘খেলাটির সর্বোচ্চ পর্যায় হচ্ছে টেস্ট ক্রিকেট এবং যেটা আমাদের সকলের স্বপ্ন ছিল।’ ওয়ারেন ডিউট্রন বলেন, ‘আমরা সকল বিশ্বকাপ খেলেছি,  এ সময়ে আমরা কিছু স্মরণীয় ফল করেছি। তবে টেস্ট খেলাটা হবে বিশেষ কিছু।’

অন্যদিকে আফগানিন্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী শফিক স্ট্যানিকজাই বলেন, ‘আফগানিস্তানের মতো একটি জাতির জন্য এটা অনেক বড় প্রাপ্তি এবং স্মরণীয় অর্জন।’

টি ২০তে মিলার ও রোহিতের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড

দক্ষিণ আফ্রিকার ডেভিড মিলার ও ভারতের রোহিত শর্মা এ বছরই আন্তর্জাতিক টি ২০ ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন। ঘরের মাটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে এই কীর্তি গড়েন মিলার এবং ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তার সঙ্গে ভাগ বসান রোহিত। আইপিএলে নভোজিৎ সিং সিধু মিলারকে কিলার উপাধি দিয়েছিলেন। মিলার যে বাংলাদেশী বোলারদের কিলার হবে তা কে বা সেটা জানে। দীর্ঘদিন ফর্মে না থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার এই হার্টহিটার ফর্মে ফিরতে বেছে নিয়েছিলেন টাইগারদের। মিলার টি ২০ ক্রিকেটের রেকর্ড বইয়ে তার নাম লেখিয়েছেন দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। মিলারের এমন ঝড়ে বয়ে যায় তরুণ বোলার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের উপর দিয়ে। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের এক ওভারেই ৫টি ছয় মারে মিলার।

এই ঝড় বাংলাদেশের উপর বইয়ে দিয়ে ডেবিট মিলার গড়েন টি ২০তে দ্রুততম সেঞ্চুরির নতুন রেকর্ড। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকারই রিচার্ড লেভি ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। আর ফাফ ডুপ্লেসিস ৪৬ বলে করেছিলেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে রেকর্ডে তিন ডাবল সেঞ্চুরির মালিক হয়েছেন কয়েকদিন আগেই। টি ২০ তেও তিনি ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করে মিলারের পাশে নাম লেখান। ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মা ৪৩ বলে ১১৮ রান করে। এমন ঝড়ো ইনিংসে ১২ চারের সঙ্গে ১০ ছক্কা হাঁকান রোহিত শর্মা। টি ২০তে ভারতীয় এই ওপেনারের এটি দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। দুটি সেঞ্চুরির মালিক ক্রিস গেইল, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, এভিন লুইস, কলিন মুনরোও।

লারাকে পেছনে ফেলে ‘অধিনায়ক’ কোহলির ইতিহাস

ক্রিকেট

‘অধিনায়ক হিসেবে’ টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ডাবল সেঞ্চুরির নতুন রেকর্ড গড়েছেন বিরাট কোহলি।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টেস্টে দিল্লীতে প্রথম ইনিংসে ২৪৩ রানের ম্যারাথন ইনিংস উপহার দিয়ে ব্রায়ান লারাকে টপকে যান ভারতীয় ক্রিকেটের ‘ওয়ান্ডার বয়’।অধিনায়ক হিসেবে তিনি ৬ ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সাবেক ক্যারিবিয়ান গ্রেটকে পেছনে ফেলেন।ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গত বছরে ২৩৫ রান করেছিলেন। এটি ছিল সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড ভারতীয়  অধিনায়ক হিসেবে। তিনি নিজের রেকর্ডকেই আরও এগিয়ে নিয়েছেন।

ছয় ডাবল সেঞ্চুরিতে কোহলি ছুঁয়ে গেলেন ভারতীয় রেকর্ডও। ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে ছয় করে ডাবল করেছিলেন বীরেন্দর শেবাগ ও শচীন টেন্ডূলকার।

আগের টেস্টেই একমাত্র ইনিংসে নাগপুরে করেছিলেন ২১৩ রান। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিাহসে পর পর দুই ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানো ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হলেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার। ১৯২৮ ও ১৯৩৩ সালে প্রথম দুই দফায় এমন কীর্তি গড়েছিলেন ইংলিশ কিংবদন্তি ওয়ালি হ্যামন্ড, ১৯৩৪ সালে ব্র্যাডম্যান, ১৯৯৩ সালে বিনোদ কাম্বলি, ২০০৭ সালে কুমার সাঙ্গাকারা ও ২০১২ সালে মাইকেল ক্লার্ক।

কোহলি-আনুশকার আলোচিত বিয়ে

ক্রিকেট

২২ গজে কোহলির ব্যাটিং ঝড়ে কাঁপছে বিশ্ব ক্রিকেট। জীবনের ইনিংসেও কাপিয়ে দিয়েছেন বিরাট কোহলি।অনেক নাটকীয়তার পর ভারতীয় এই অধিনায়ক বলিউড কুইন আনুশকা শর্মাকে জীবনসঙ্গী করেছেন।তিনি বিয়ের জন্য ইতালির ঐতিহাসিক শহর রোম থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে ছবির মত সুন্দর তাস্কানিকে বেঁছে নিলেন বহুল আলোচিত এই প্রেমিকযুগল। বিরাট-আনুশকা দুজনের নাম মিলে হয়ে গেছেন বিরুষ্কা। বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ১১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে। সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় তার একদিন আগে মিলানের তাস্কানিতে। সেখানে শুধু দুই পরিবারের নিকটবর্তী মানুষেরাই উপস্থিত ছিলেন। ২৬ ডিসেম্বর, মুম্বাইয়ে বিয়ে পরবর্তী সংবর্ধনায় নিমন্ত্রিত অতিথির তালিকায় ছিলেন ক্রিকেট, বলিউড ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিখ্যাত সব ব্যক্তি।

শর্মিলা ঠাকুর ও টাইগার পাদৌতির পর ক্রিকেট এবং বলিউডের সেরা জুটি বলা হচ্ছে বিরাট ও আনুশকা জুটিকে। সংবাদ মাধ্যম গুলো বলছে, ‘ওয়েডিং অব দ্য ইয়ার ২০১৭’। তাদের জুটি এতটাই আলোচিত যে, বিরাট এবং অনুশকার জুটিও এখন একটা ‘ব্র্যান্ড’।

যারা শুধু বলিউডের রেড কার্পেট বা ক্রিকেট মাঠের সবুজ গালিচা নয়, দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বিজ্ঞাপনী দুনিয়াতেও। জনশ্রুতি আছে, একটি শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপনে প্রথম আলাপ হয়েছিল বিরাট এবং অনুশকার। প্রথমে বন্ধুত্ব দিয়েই শুরু হয়েছিল সম্পর্ক। ২০১৩ সালে ছিল সেই বিজ্ঞাপনের শূটিং।

টি ২০ থেকে ম্যাশের বিদায়

ক্রিকেট

শ্রীলঙ্কা সফরে হঠাৎ করেই টি ২০ থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়ে ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাঙ্গালী ক্রিকেটপ্রেমীরা ম্যাশের এই ঘোষনা শুনে এর প্রতিবাদে রাস্তায় পর্যন্ত নেমে পড়েন। ম্যাশের এই পদত্যাগের পেছনে সাবেক কোচ চন্দ্রিকা হাথুরুসিংহের হাত রয়েছে বলে খবর শোনা যায়।  কিন্তু এই ব্যাপারে ম্যাশ নিজে কিছুই বলেননি।  বিপিএলে ম্যাশের উদ্ভাসিত অল-রাউন্ড পারফর্মেন্সের পর অবসর ভাঙ্গার দাবি ওঠে। তবে বাংলাদেশের এই কিংবদন্তী সেই সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়ে টেস্টে ফেরার ইঙ্গিত দেন।

বিপিএল এ মাশরাফির অর্জন

ক্রিকেট

৫ বার অনুষ্ঠিত হওয়া বিপিএল আসরে ৪ বারই বিজয়ী হয়েছে মাশরাফির দল। এবার সেই ধারা বজায় রেখে মাশরাফি বিজয় এনে দিলেন রংপুর রাইডার্স কে। দলটির মালিকপক্ষ বসুন্ধরা গ্রুপ মাশরাফিকে রেঞ্জ রোভার দিতে চেয়েছিল। বেশকিছু দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি হচ্ছিল যে, নড়াইল সদর হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন।

এরপরই নড়াইলের জন্য রংপুর রাইডার্স কর্তৃপক্ষের কাছে অ্যাম্বুলেন্সটি চান মাশরাফি।

সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

একার একাকিত্ব

একারকিছু হারানোর দুঃখ নেই, কিছু পাওয়ারও সুখ নেই।
তবুও দুঃখটাকেই ভীষণ ভালোলাগে,
বিরহীভাবে তৃপ্তি পাই।
খুব আপন হয়ে প্রত্যেকটি অনুভবের একক-কে নাড়া দিতে পারে বলে,
হয়তো তাই।
আমি একাই পাল্লা দিয়ে সমানে দৌড়াই
জোরেশোরে নিশ্বাসে হাপাই
যা ইচ্ছে তাই
তাতেই আমি আমায় পাই।

(“শিরোনাম এর জন্যে ধন্যবাদ বাইদ্যানি 🐍 (আশা বিনতে হোসেন) ভালো থাকিস অজানায়, পরপারে যেমন থাকে হারিয়ে যাওয়া সবাই।”)

 

পাপিষ্ঠের অভিমান

পাপিষ্ঠের

আমি দেখেছি তাকে
ক্ষমা না পাওয়ার বিষম যন্ত্রণায় ছটফট করে
বেঁচে থেকে ডুকরে মরতে,
অতি তীব্রতায় পাপী ভুলে যায় তার কী ভুল ছিলো
তবুও সে বেহায়া আর নির্লজ্জের মতো
দুহাত তুলে কতো –
হে প্রভু!
তুমি কী আসলেই করুণাময়!
তাহলে কেনো গভীরে এতো ব্যথা হয়?
তুমি কোথায় মুখ ঘুরিয়ে আছো?
পাপিষ্ঠের চেহারা না দেখলেই বাঁচো!
রাত ফুরয়, অশ্লীল কালো, গভীর নির্জন রাত,
সহস্র শতাব্দী পুরনো
তোমার পুণ্যের ঘরেই হউক প্রভাত।

হিজিবিজি আঁকিবুঁকি আর একটি কবিতা

হিজিবিজি

সব কিছুতেই শিরোনাম থাকতে হবে?
এমন তো কোনো কথা নেই!
এই যে তুমি আমি নামহীন; শিরোনামহীন
শূন্যে ঝুলে থাকা নক্ষত্ররাজির মতো রঙ্গিন
দুলে ছিলাম জন্মানোর আগে
কই? আমাদের তো সমস্যা হয়না!

যেমন সমস্যা হয়না দোকানীর-
খুচরো টাকার বদলে ধরিয়ে দেওয়া একটি লজেন্স,
সেই বহুদূর; বহুদিন ধরে শার্টের জেবে
জমিয়ে রেখে; ভাবে আজ না কাল খাবে,
প্রিয় মানুষের দেওয়া লজেন্স টি ঘিরে
পড়ার টেবিলে বাচ্চাটি খেলাকরে,
কই? তার কোনো সমস্যা হয়না!

যেমন সমস্যা হয়না ভীষণ রাগী মানুষটার-
প্রেমিকের সাথে অভিমান করে শহর ছেড়েছে
দিন মাস করে দুই যুগ পেড়িয়ে গেছে
এখনো তাঁর প্রিয় স্মৃতি নিয়ে বাঁচে,
কাউকে সঙ্গী করেনি
বলে নিঃশ্বাসে তাকেই যখন পাই
তাই আর কাউকে ঠকাইনি।
কই? লীলাকাননের তো সমস্যা হয়না!

যেমন সমস্যা হয়না ছোট্ট বেলার পিতৃবিয়োগের শোক-
মনে না করতে পারা সেই প্রিয় মুখ,
পিতৃতুল্য ভাই-ই তো ছায়ায় অবতীর্ণ হয়
যত ঝড়ঝাপটা – দুঃসময় আসুক,
জীবনের সাদ আহ্লাদ মাটি করে
লাঞ্ছনা-বঞ্চনা-অপমান-প্রাপ্য-অপ্রাপ্যতা সহ্য করে
মা তো আছেন মহানের চেয়ও মহান ভূমিকায়।
কই? তবুও তো দিন যাচ্ছে কেটে!

কিছুতেই সমস্যা হয়না
আবার সমস্যা হয়ে দেখা দেয় শস্যদানায়,
যেখানে তুমি আমি আমরা ভালোবাসার
বেহিসাবি বাঁধনহারায়,
ঈশ্বরের মতো একা, নিঃসঙ্গ, ভবঘুরে থাকায়।

মাশরাফি তাঁর কথা রাখলেন, এ্যাম্বুলেন্স পেল নড়াইলবাসী

সবার প্রিয় মাশরাফি দেশের জন্য কি করেছেন এবং করছেন তা আমরা সবাই জানি। সম্প্রতি বিপিএল এর আসরে আবার চমক দেখালেন আমাদের অধিনায়ক। পর পর ৪ বার বিপিএল এর কাপ হাতে নিলেন তিনি।

যে দলেই তাকে নেয়া হয় সেই দলেরই যেন ভাগ্য পরিবর্তন করে দেন তিনি।

এবার সেই ধারা বজায় রেখে মাশরাফি বিজয় এনে দিলেন রংপুর রাইডার্স কে। দলটির মালিকপক্ষ বসুন্ধরা গ্রুপ মাশরাফিকে রেঞ্জ রোভার দিতে চেয়েছিল।

বেশকিছু দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি হচ্ছিল যে, নড়াইল সদর হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন।

এরপরই নড়াইলের জন্য রংপুর রাইডার্স কর্তৃপক্ষের কাছে অ্যাম্বুলেন্সটি চান মাশরাফি।

অবশেষে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অধিনায়ককে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করে নড়াইলের ডায়াবেটিক হাসপাতালের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স উপহার দিয়েছে রাইডার্সের মালিকপক্ষ।

চলতি বছরেই নড়াইলবাসীর উন্নয়নে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক গড়ে তুলেন নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন।

এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নড়াইলের মানুষের জন্য নানা উন্নয়নমূলক কাজ করার ইচ্ছা আছে তার।

হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তরের ছবি দেওয়া হয়েছে মাশরাফির ফেসবুক পাতায়ও,

‘বিপিএল টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টের শুরুর আগেই অধিনায়ক মাশরাফি নরাইলবাসীর জন্য একটা এম্বুলেন্স চেয়েছিল “রংপুর রাইডার্স”-র কর্ণধার সাফওয়ান ভাই ও সিইও ইশতিয়াক ভাইয়ের কাছে।

নড়াইল বাসী বেশ কিছুদিন যাবত কিছু সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্ছিত এর মধ্যে একটি এম্বুলেন্স ছিল অত্যধিক প্রয়োজনীয় তালিকার সর্ব প্রথমে।

ফাইনাল খেলা শেষ হবার ৭ দিনের মাথায় “রংপুর রাইডার্স” মাশরাফির গড়া “নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন”-র নিকট হস্তান্তর করলো।’

নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যে কেউ জরুরী দরকারে এই এ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহার করতে পারবে।

 

Rogan Josh: A special Kashmiri meat curry

Rogan Josh is a juicy curry for warming your lunch or dinner table. Follow the recipe and cook it for your lovable persons.

Ingredients

  • Meat 1 kg
  • Mustard/refined oil 1 cup
  • Red chili powder 3 tsp
  • Fennel powder 3 tsp
  • Ginger powder 2 tsp
  • Cumin powder 2 tsp
  • Brown cardamom powder 3 tsp
  • Asafetida 1 tsp
  • Green cardamom 4 pieces
  • Cinnamon sticks 2
  • Bay leaves 2
  • Cloves 2
  • Saffron 1/3 tsp
  • Curd 1 cup

Making way

  1. Heat the oil in a pressure cooker. And that moment wash the meat properly.
  2. Put together cinnamon, bay leaves, green cardamom, cloves, 1 tsp salt, asafetida, and meat.
  3. Until the meat turns brown cook it slowly. When meat turns brown put a cup of water.
  4. Add the chili powder and saffron in the meat and stir it for 2 minutes.
  5. Pour the curd into the pressure cooker.
  6. Stir until you get a mouth warming flavor
  7. Add 2 cups of water, fennel powder, ginger powder, and pressure cook for 2 minutes.
  8. Check if the meat is tender. Peel and grind green and brown cardamom and add to the meat dish.
  9. Finally sprinkle cumin powder and simmer for a minute and serve.

 

The Road Not Taken

Two roads diverged in a yellow wood,

And sorry I could not travel both

And be one traveler, long I stood

And looked down one as far as I could

To where it bent in the undergrowth;

 

Then took the other, as just as fair,

And having perhaps the better claim,

Because it was grassy and wanted wear;

Though as for that the passing there

Had worn them really about the same,

 

And both that morning equally lay

In leaves no step had trodden black.

Oh, I kept the first for another day!

Yet knowing how way leads on to way,

I doubted if I should ever come back.

 

I shall be telling this with a sigh

Somewhere ages and ages hence:

Two roads diverged in a wood, and I—

I took the one less traveled by,

And that has made all the difference.

                                                       ROBERT FROST

 

Source: www.poetryfoundation.org

একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না হবে না যদি আপনি চান

আমার একফ্রেন্ড বরাবরি ভাবসাব নিয়ে নিশ্চিন্ত মনে রাস্তায় হাটতো। ফুটপাথের চেয়ে গাড়ি চলাচল রাস্তা ব্যবহারে অভ্যস্ত ছিলো বেশি (যদিও ফুটপাথ সৃষ্টিলগ্ন থেকেই দোকানিদের দখলে, হেঁটে যাওয়ার সুযোগ নাই) মাঝেমধ্যে রিকশার সাথে ছোটখাটো ধাক্কা লাগতো, গাড়ি হর্ণ দিলেও মাঝেমাঝে সরে পাশ দিতো না। এমন ছোটছোট দুর্ঘটনা থেকে যে বড় দুর্ঘটনার সৃষ্টি হয় তা ও মানতে নারাজ। বলতো

-আমি আমার সঠিক অবস্থানেই আছি।

-দোস্ত তুই তোর সঠিক অবস্থানেই আছিস মানলাম। সব ড্রাইভার কি একিরকম হয় নাকি, ভাল মন্দ তো থাকবেই। যদি তোর পায়ের উপর দিয়ে চাকা ঘুরায় কি করবি?

-ধরে পিটাইমু!

-সেটাও মানলাম আচ্ছা করে মারলাম। তোর যে পা ভাঙলো সেটার কি হবে? চিকিৎসা করিয়ে ভাল হলেও আগের মত কি এই যন্ত্রে কাজ করবে?

আগে নিজের পা টাকে বাঁচা, নিজেকে বাঁচা তারপর বাকি সব।

বুঝলাম সব ড্রাইভারই ভাল, কিন্তু সব ভাল ড্রাইভারই সব সময় ভাল মন মেজাজ নিয়ে ড্রাইভ করেনা।

সে নাহয় ক্ষতিপূরণ/মাইর খেয়ে উসুল দিলো। পায়ের উসুলটা কেমনে করবি?

তাই চালকের সচেতনা এবং ট্রাইফিক আইনের কথা না ভেবে নিজেকে বাঁচানোর সচেতনতাটা মূখ্য।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা হল পা গেলে পা লাগানো যাবে। কিন্তু যদি আপনার বেপরোয়া ভাবে রাস্তা পারাপার আর হাঁটা চলার জন্য আপনার জীবনটা চলে যায় তখন কি কোন বিচার করে লাভ হবে? আপনার জীবনটা কি ফিরে পাওয়া যাবে? আপনার পরিবারের যে ক্ষতি করে গেলেন তা কি কখন কোন ক্ষতিপূরণ দিয়ে পুষিয়ে দেয়া যাবে? প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে যদি না পারেন তাহলে ঠিক ভাবে ট্রাফিক নিয়ম মেনে রাস্তায় চলুন।

অনেক মোটরসাইকেল চালক আছেন যারা হেলমেট পরাকে খ্যাত অথবা অরুচিশীলতা ভাবেন এবং বলেনও। কিন্তু এই হেলমেটের কারণেই আপনার জীবনটা বেঁচে জেতে পারে।

দেখা যায় অধিকাংশ বাইক চালক দুর্ঘটনায় মারা যান এই হেলমেটের অভাবে।

কিছু বাইক চালকদের আমার ব্যক্তিগত ভাবে অপছন্দ। এরা ভাবে কোন চিপা জায়গা পেলেই যাওয়া যায়।

এক বার ভাবে না বড় দুইটা বাস যদি একসাথে চলে আর যদি তাকে খেয়াল না করে তাহলে তার কি হবে? তাদের কাছে পরিবারের দুঃখ কষ্ট কি মানে রাখে কেউ আসলে বলতে পারবে না।

ঠিক এমনি একটা দুর্ঘটনা ঘটেছিল এক বাইক চালকের সাথে। তার বুকের সাথে ছিল তার ছোট্ট শিশু। দুই বাসের মাঝে ছিল সে। দুই গাড়ি যখন এক সাথে টান দিল তখন সে চিৎকার করা শুরু করল। বাচ্চাটা বাবার বুকে ছিল বলে বেঁচে গেলো। বাকিটা বুঝে নিন।

তারপরও দুর্ঘটনা যে হচ্ছে না তা না। কিন্তু দুর্ঘটনা তো কমানো যায়। যদি আপনি এখুন সচেতন থাকেন।

বিঃদ্রঃ এর মানে এই নয় যে বেপরোয়া ড্রাইভারদের সাপোর্ট করা।

শুধু নিজের না সব সময় পরিবারের কথা ভেবে রাস্তায় চলাচল করুন তাহলে আর কোন মায়ের আহাজারি দেখতে হবে না টিভিতে।

 

Poem of Jelaluddin Rumi

Jalaluddin Rumi also known as Jalal ad-Din Muhammad Balkhi. He is the thirteenth century spiritualist poet, was really a standout amongst the most enthusiastic and significant artists ever. Presently, today his quality still stays solid, due to some degree to how his words appear to dribble of the perfect, and startle a significant rememberance that connections all back to the Soul-Essence. Conceived in what is available day Afghanistan in 1207, he created his lord work the Masnawi which comprises of more than 60,000 sonnets previously he kicked the bucket in 1273. The most ideal approach to completely say in words his effect, is that he can portray the Indescribable, Ineffable- – God.

Here we are representing one of his poem.

Not Intrigued With Evening

What the material world values does

not shine the same in the truth of the soul.

You have been interested in your shadow.

Look instead directly at the sun.

What can we know by just

watching the time-and-space shapes of each other?

Someone half-awake in the night sees imaginary dangers;

The morning star rises;

The horizon grows defined;

People become friends in a moving caravan.

Night birds may think

daybreak a kind of darkness,

Because that’s all they know.

It’s a fortunate bird, who’s not intrigued with evening,

Who flies in the sun we call Shams