The risk of death will increase if you sit for long time

Most of the people sit all the day long for their job or work. But we don’t know that this habit is silently killing us. If you are not aware of this then this article for you.

Sitting noiselessly murders us

Most Americans sit for over 11 hours for each day! It’s not shocking that we sit so much: our lives are intended for this stasis. Huge numbers of us have work areas at work. We invest a considerable measure of our energy there gazing at PC screens, perusing, composing, making calls, and so forth.

The net impact of this is our muscles stay idle for 70 to 80% of our waking hours. We consume fewer calories than we completed 50 years back. What’s more, to top it all off, there are not kidding medical problems in danger. As we know, sitting can prompt cardiovascular issues, Type 2 diabetes, certain sorts of growth, and despondency.

Work in a treadmill

We as a whole have long workdays and home commitments that gobble up our hours. This is the place the treadmill work area is great! You can work up to strolling for maybe a couple hours, or significantly more, along these lines keeping away from the potential medical issues. It will help you to get more dynamic and consume more calories for the duration of the day.

Don’t simply stay there!

sitting

It’s not an unquestionable requirement to get a treadmill, which can be to some degree costly. An incredible contrasting option to begin is a standing work area, or a convertible work area that climbs and down for both standing and situated work. A rack, ledge, or durable box could function as stopgap standing work areas too.

As you begin, exchange frequently. It can require a significant stretch of time to get used to physically dynamic working. Labor for 20 minutes standing, at that point sit for 20 minutes. Continue exchanging forward and backward. When this turns out to be simple, you can expand you standing time – yet at the same time ensure you take breaks! What’s more, when you can, take a little walk while you work, for example, in case you’re conversing with clients, having a phone call, or tuning in to a book recording.

It takes some getting used to, yet give it a shot! Change from sitting to standing, and from remaining to strolling. You also can stay away from the seat trap and roll out little solid and effective improvements to your work style.

মমি শুধু ঐতিহাসিক নিদর্শন ছিল না, মানুষ এগুলো ব্যবহার করতো

মিশরের নাম শুনলে প্রথমে আমাদের মাথায় যে চিন্তা আসে তা হল মমি। মমির কথা শুনলে কেমন যেন একটা গাঁ শিরশিরে অনুভূতি হয়। মিশরের মমি দেখেছেন কখনো? আসল মমি দেখেছেন হয়তো কোন যাদুঘরে। কাল্পনিক মমি অবশ্যই দেখেছেন কোন চলচ্চিত্রে বা গল্পে। কিন্তু আপনি কি জানেন এই মমি দিয়ে কতো কিছু করছে মানুষ। ঔষধ বানানো থেকে শুরু করে ছবির রঙ বানাতেও ব্যবহৃত হয়েছে মমি।

১৭৯৮ সালে নোপলিয়ন মিশর আক্রমণ করে। বেশ কিছু পুরাতাত্ত্বিক আবিষ্কারের ফলে ১৯ শতকে ইউরোপ ও আমেরিকা জুড়ে মিশরের মমির আজব সব ব্যবহার শুরু হয়। ১৮৩০ এর দিকে গুপ্তধনের খোঁজে বিত্তবান পশ্চিমা ইউরোপীয় ও আমেরিকানদের ঢল ছোটে মিশরের মরুভূমিগুলোতে। এ নিয়ে তো অনেক গল্প, সিনেমাও তৈরি হয়েছে। এই গল্প আর সিনেমার কাহিনীগুলো কিছুটা বানানো হলেও সম্পূর্ণটা কিন্তু মিথ্যে নয়। তখন যদি কেউ মমি খুঁজে পেতেন, সেটা ছিল তার জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং এ ঘটনাকে জীবনের অন্যতম বড় অর্জন বলে মনে করা হতো। ইউরোপীয়দের মমি উন্মাদনা এমন পর্যায়ে পোঁছে গিয়েছিল যে, কেউ মিশর থেকে ইউরোপে ফিরে যদি এক হাতে মমি আর অন্য হাতে কুমীর দেখাতে না পারতেন, তাহলে তাকে কেউ পাত্তাই দিতো না।

১৯ শতকে ইউরোপীয়রা কিভাবে মিশরের মমির ব্যবহার (আসলে অপব্যবহার করতো) করতো জানা যাক।

মমি দিয়ে রোগের ঔষধ তৈরি

মমি

ব্যপারটা অদ্ভুত মনে হতে পারে, কিন্তু ১৯ শতকের শুরুর দিকে ইউরোপীয়রা সুস্বাস্থ্যের জন্য একধরনের ক্যানিবলিজম অনুশীলন করতো। ঐতিহাসিক রিচার্ড সুগের মতে, ১৯ শতকের শেষের দিকে থেরাপিউটিক এজেন্ট হিসেবে মানব শরীরের ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতা ছিল। বেশিরভাগ জনপ্রিয় চিকিৎসায় মানব দেহের রক্ত, মাংস, হাড় এমন কি মাথার খুলিও ব্যবহার করা হত।

মমি, প্রায়ই “মামিয়া” (বিটুমিন আর মমির সংমিশ্রণে এক বিভ্রান্তিকর শব্দ) হিসেবে বিক্রি করা হত, এটি ত্বকে ব্যবহার করা হত। অথবা গুড়ো করে পানীয়তে মিশিয়ে ত্বকের কালশিটে দাগসহ অন্যান্য রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। অনেকেই মনে করতেন যে মমিতে আরোগ্য করার বিশেষ ক্ষমতা আছে। আবার অনেকে মনে করতেন যে মমিতে রক্ত চলাচল বাড়াতে বিশেষ গুণ রয়েছে। এই মমির ঔষধ এতো বেশী জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলো যে, এর চাহিদা মেটাতে দন্ডপ্রাপ্ত আসামী, দাস, ভিক্ষু এমন কি ঊটের লাশ থেকেও নকল মমি তৈরি করা শুরু হয়েছিল। এখন যেভাবে বাজারে ঔষুধ নকল করা হয় আরকি।

মমি পার্টির জৌলুস বাড়াত

মমি

কোন পার্টি বা গেট-টুগেদারের আসর জমানোর জন্য নতুন কিছু দরকার? যদি সেই পার্টিতে কোন মমি উন্মোচন করা হয় তবে ব্যপারটা কেমন হবে? ব্যপারটা এমন যে আপনার ড্রইং রুমে তুতেনখামুনের মমি রহস্য উন্মোচন করা হচ্ছে, পার্টিতে সবার মধ্যে এক শিহরণ খেলে যাচ্ছে। পার্টির জৌলুস বাড়াতে এমন ধরনের থীমের ব্যবহার তখনকার দিনের ইংরেজ জীবনে নতুন কোন ব্যপার ছিল না। বিশেষ করে যারা নিজেদেরকে একটু পন্ডিত মনে করতেন তারাই এমন সব থিমের আয়োজন করতেন।

মমি থেকে তৈরি রঞ্জক যখন চিত্রকরের রঙে

 

১৭ শতকের শুরুর দিকে, মমি ব্রাউন নামে এক ধরনের রঞ্জক পাওয়া যেত। মমি থেকে তৈরি এই রঞ্জক তখনকার ইউরোপীয় শিল্পীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল। চিত্রশিল্পী দ্যলাক্রোয়া এটি ব্যবহার করতেন। এমনকি বৃটিশ শিল্পী স্যার উইলিয়াম বিচে ব্যবহার করতেন। বিশেষ করে প্রাক-রাফায়েলীয়দের কাছে এটি বেশি পছন্দের ছিল। তবে বেশির ভাগ মানুষ অজান্তেই ব্যবহার করতো। কি দিয়ে তারা আকঁছে তা তারা জানতোই না।

মমি দিয়ে ঘরের স্মারক সাজানো হতো

মমি

১৯ শতকের বিত্তবান শ্রেণীর মধ্যে মিশর যাত্রা এতটাই জনপ্রিয় ছিল যে অনেকে বাড়ীতেই ড্রইং রুমে স্মারক হিসেবে মমি রাখা হতো। অনেক সময় বেডরুমেও মমি রাখতো। অনেকে বাড়ির বিভিন্ন স্থানে মমির হাত, পা বা মাথার প্রদর্শনী করতো। বিশেষ করে বাড়ীর মেনটালপিছের উপরে কাঁচের ডোমের উপর সেগুলো দেখা যেত। অনেক সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও মমি প্রদর্শীত হতো। সিকগোর একটি ক্যান্ডি শপে ১৮৮৬ সালে একটি মিশরীয় মমি প্রদর্শন করে ক্রেতা আকৃষ্ট করা হতো। বলা হতো মমিটি ফেরাউনের মেয়ে মমি যিনি মূসাকে নলখাগরার জঙ্গল থেকে উদ্ধার করে নিয়ে গিয়েছিল। এগুলো ছিল আসলে লোক দেখানো বিষয়। মানুষকে ধাঁধাঁয় ফেলে দেয়াই ছিল এই উচ্চবিত্তদের কাজ।

কাগজ হিসেবে মমির ব্যবহার

মমি

কাগজ তৈরি নিয়ে যারা গবেষণা করেছেন তাদের কাছে এটি একটি বিতর্কের বিষয়। ১৯ শতকের মধ্যভাগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে কাগজের মিলগুলো মমি মোড়ানো কাপড়গুলো কাঁচামাল হিসেবে আমদানী করতো বলে মনে করে অনেক গবেষক। অনেকের মতে ১৯ শতকের শুরুর দিকে আমেরিকায় মুদ্রিত জিনিসের বেশ ভাল চাহিদা দেখা যায়। গাছের পাল্পে কাগজ তৈরি শুরু হয় ১৮৫০ সালে যখন মমি কাগজের সল্পতা দেখা যায়। যদিও অনেকের মতে মমির সংখ্যা ছিল প্রচুর। তাই এ গল্পটি নিয়ে মত পার্থক্য রয়েছে।

মিশরের মমি দিয়ে সার তৈরি

মমি

দেব-দেবীদের প্রসন্ন লাভে লক্ষ লক্ষ জীবজন্তু প্রাচীন মিশরে মমি করা হয়েছিল। এতো জীবজন্তুর মমির ভিড়ে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গিয়েছে বিড়ালের মমি। বিড়ালের মমির পরিমান এতো ছিল যে ১৯ শতকের শেষের দিকে ইংরেজ কোম্পানিগুলো কৃষিকাজে ব্যবহারের জন্য মিশর থেকে এগুলো কিনে নেয়। এক হিসেবে পাওয়া গেছে একটি কোম্পানী প্রায় ১৮,০০০ বিড়ালের মমি কিনেছিল। যার ওজন প্রায় ১৯ টন হবে। এগুলো দিয়ে সার তৈরী করা হয়েছিল এবং সাড়া ইংল্যান্ডে জমিতে তা ব্যবহার করা হয়েছিল। এই চালানের একটি বিড়াল খুলি এখনও ব্রিটিশ মিউজিয়ামের ন্যাচারাল হিস্টরি ডিপার্টমেন্টে রক্ষিত আছে।

তহবিল গঠনে মমির পদর্শনী

মমি

ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হসপিটাল প্রথম স্থান যেখানে আধুনিক অ্যানেস্থেশিয়া ব্যবহারে প্রথম পাবলিক সার্জারি করা হয়েছিল। ১৮৪৬ সালে এই স্থানটি ইথার ডোম নামে একটি এম্পিথিয়েটার ছিল। কিন্তু এছাড়াও এ স্থানে আরেকজনের বসবাস ছিল যা কোন হসপিটালে থাকে না, তা হল একটি মিশরের মমি।

১৮২৩ সালে এই মমিটি ম্যাসাচুসেটস জেনারেলে উপহার হিসেবে আসে সিটি অব বোস্টন পক্ষ থেকে। ১৯ শতকের শুরু দিকে মমিটি মূলত কিনে আনেন একজন ডাচ ব্যবসায়ী, তিনি ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালে এটা দেন হসপিটালের জন্য তহবিল সংগ্রহ করতে। হসপিটালের মতে, মমিটি দেখতে শত শত লোক জড়ো হয়েছিল, প্রত্যেকে তখন ০.২৫ ডলারের বিনিময়ে দেখেছিল আমেরিকায় প্রথম মানুষের সম্পূর্ণ মিশরীয় মমি। এরপরে বহুবার বহুস্থানে প্রদর্শনী করে হসপিটালের জন্য তহবিল সংগ্রহে ব্যবহার করা হয়েছে। মমিটি আজও সেই হসপিটালে অবস্থান করছে।

Long distance relation can be stronger if you want

Many people trust that long distance relationships are never going to work out. Your family may disagree about it and some of your closest friends may encourage you not to consider it excessively important. On the off chance you get your heart broken.

In our life sometimes we stay with someone for years after years but don’t understand each other. For some reason some people stay apart but stay with each other like glue.

If you are in a long distance relationship then you should know how to maintain this relation and make it better always. So my friend this article is for you.

Long distance relationship doesn’t need excessive talking

When we are in a relationship we do talking each other more. When we are in a long distance relationship we think we should talk more and more. Many couples thought that they need to compensate for the distance by doing more. This is not true. You don’t need to talk 10-15 hours a day. Soon you will get tired of love each other.

Long distance relationship needs communicate regularly

Since you are apart from your partner you should talk regularly. It is really a matter of sorrow that you cannot see each other even once in a week. If you want a good relation then you should talk regularly. Give your partner more attention. Say Good Morning or Evening to each other. Don’t forget to say Good Night before sleeping. By this behavior the other person will feel more loved.

Send your pictures, audio clips and sometimes video clips.

Be loyal with each other

Loyalty is very important in a relationship.  So when you are in a long distance relationship you need to be more loyal to your partner. If you want a true love then you should tell everything about yourself. Send your real picture; say what you are now doing. If the person really loves you then he/she can manage everything. It depends on your effort. Your partner can not check your all information. Be open and honest with each other. Let your partner help you and give you the support you need.

Do things together

Couples go to see movies, disco, museum. Long distance relationship couple doesn’t need to be sad. They can stay together too. Tell your partner to see the same movie you are watching, TV shows or the book you are reading.

Visit to each other city or place

Try to visit each other’s city. After all the waiting and yearning and abstinence, you finally get to meet each other to fulfill all the little things. You can also invite your partner to make a visit to your city. You can turn him around.

Know each other schedules

Ask your partner when he/ she is busy, when they stay free or need a call from you. Don’t disturb your partner during class or meeting. Know when he/she is in the road. Don’t call at the time. There is an important thing that is, doing call again and again while the call is not receiving.

Give a pet name to your partner

People give pet name to their most loveable person. So give a pet name and always call with that name.

Send gift

Note your partner’s address. Buy a surprising gift for that lovely person. Send not only in occasion but also for make the person happy.

নতুন বছরে নিজেকে পরিবর্তন করতে যে পরিকল্পনাগুলো করতে পারেন

দেখতে জীবন থেকে চলে এলো আরও একটি পুরনো বছর। আগমন ঘটলো নতুন বছরের। নতুন বছর হল নিজেকে নতুন ভাবে গড়ে তোলার আর একটি সুযোগ।

অনেকে বলে কাল থেকে সব ঠিক করবো, অনেকে বলে সামনের সপ্তাহে আবার অনেক মানুষ আছে সামনের মাসের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে।

তাই নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন।

কি কি দিক দিয়ে নিজেকে পরিবর্তন করতে পারেন তার একটি সাধারণ ধারণা তুলে ধরছি। বাজী ধরে বলতে পারি আপনি অবশ্যই উপকৃত হবেন।

নতুন বছরে নিজেকে নির্দিষ্ট ওজনে আনুন

নতুন

শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণে ওজন থাকলেই আপনি একটি স্বাস্থ্যকর দেহের অধিকারী হতে পারবেন।

যারা চিকন তারা কি করলে অথবা কি ভাবে নিজের স্বাস্থ্যকে ঠিক করতে পারবেন তার তালিকা তৈরি করুন।

যারা অতিরিক্ত ওজনের অধিকারী তারা ব্যায়াম এবং খাবার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন।

নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে চাইলে আপনাকে অনেক দৃঢ় হতে হবে। নিজেকে চ্যালেঞ্জ করুন বছরের ৪-৫ মাসের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে যেতে হবে।

নতুন বছরে পুরনো বদ অভ্যাস ছাড়ুননতুন

 

প্রতিটা মানুষের কিছু না কিছু বদ অভ্যাস থাকে। নতুন বছরে মানুষ অতীতকে ভুলে নতুনের সাথে চলে। তাহলে এই বছর আপনার কোন পুরনো বদ অভ্যাস ত্যাগ করুন।

সেটা হতে পারে সিগারেট খাওয়া, পান খাওয়া, অতিরিক্ত চকলেট খাওয়া, আইসক্রিম খাওয়া, নখ কামড়ানো, অযথা বই এ দাগাদাগি করা এমন আরও অনেক কিছু।

একবার ভেবে দেখুন আপনি যদি প্রতি বছর যদি একটি করেও বদ অভ্যাস ছেড়ে দিতে পারেন তাহলে ১০ বছরে ১০ টা বদ অভ্যাস আপনার থেকে দূরে সড়ে যাবে। ব্যাপারটা কার্যকর করতে পারলে এর ফল আপনি নিজেই অনুভব করতে পারবেন।

বই পড়ুন

নতুন

সবচেয়ে ভালো আর কাছের বন্ধু বলা হয় বইকে। শুধু যে জ্ঞানমূলক আর উপদেশমূলক বই পড়লে মানুষ উপকৃত হয় তা নয়।

আপনার পছন্দসই যেকোনো বই পড়তে পারেন। বই পড়ার জন্য টাকা জমিয়ে বই কিনুন।

কথায় আছে, “বই কিনে কেউ কখনো দেউলিয়া হয় না”।

নিজের সাথে সব সময় একটি বই রাখুন। ফেসবুক অথবা ইউটিউবে না ঘুরে একটা বইয়ের কয়েকটা পাতা পড়ুন। অভ্যাসটি ৭ দিন মেনে চলুন। অবশ্যই ভালো কিছু পাবেন।

পৃথিবীটা দেখুন

নতুন

ভ্রমণের কথা বলাতে আপনি হয়তো আমাকে মনে মনে গালি দিতে পারেন, এই বলে যে, বেড়াতে গেলে কত টাকা লাগে ধারণা আছে?

তবে সত্যি ভাই, ঘুরতে চাইলে মন লাগে মানি (টাকা) নয়।

পৃথিবী ঘুরতে হয়তো অনেক ঝামেলা আছে। পাসপোর্ট করতে হয়, অনেকে বাইরে ঘোরা নিরাপদ মনে করেন না। তাছাড়া বাসা থেকে অনুমতি নেয়ার একটা ব্যাপার আছে।

আমাদের বাংলাদেশেই আছে অনেক অনেক দেখার মতো জায়গা। আপনি যদি শুধু ঘুরতে যেতে চান তাহলে টাকা কোন ব্যাপার না।

টাকা উড়াতে হবে ঘুরতে গেলে এই ধারণা ভুল। আর যদি পাসপোর্ট, ভালো অঙ্কের টাকা এবং বাসার অনুমতি থাকা সত্ত্বেও আপনি ঘরে বসে থাকেন তাহলে আমাকে কিছু টাকা ধার দেন আমি ঘুরে আসি।

জীবনটা অনেক ছোট, পৃথিবীটা অনেক বড়। সময় নষ্ট না করে প্রতি বছর কোথাও না কোথাও ঘুরতে যান।

টাকা জমান

নতুন

টাকা হাতে আসলে থাকে না, শুধু খরচ হয়ে যায়? তাহলে আপনি অনেক বড় ভুল করছেন।

প্রতিদিন কিছু করে হলেও টাকা জমান। যারা চাকরিজীবী তারা নিজেদের জন্য ব্যাংকে একটা একাউন্ট খুলে টাকা জমান শুরু করুন।

নতুন বছরে এটা খুব ভালো একটা উদ্যোগ হবে।

বিশ্বাস না হলে আপনার এই পরিকল্পনা আরও কয়েকজনের সাথে শেয়ার করে দেখতে পারেন।

ঘুরতে গেলে যখন টাকা নিয়ে চিন্তা হবে অথবা কোন জরুরী কাজে এই টাকাগুলোই আপনার বিপদে পাশে থাকবে।

সামাজিক মাধ্যমে কম সময় দিন

আমরা এমন এক প্রজন্মে বাস করছি যেখানে মোবাইল, ইন্টারনেট, ফেসবুক ছাড়া কিছু চিন্তা করা যায় না।

আপনার কোন বন্ধু অথবা পরিচিত কেউ যদি বলে তার ফেসবুক একাউন্ট নেই তাহলে হয়তবা আমার আপনার বিশ্বাস হবে না। কিন্তু সেই ব্যক্তিটি যে কত ভালো আছেন তা আপনি জানেন না।

সামাজিক মাধ্যম আছে, থাকবে কিন্তু সারা দিন সামান্য সময় পেলেই যদি সেখানেই মুখ ডুবিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে আপনি ভাই মানুষ বটে তবে সভ্য নন।

অনেকে আছে কারো সাথে কথা বলার সময় অথবা খাওয়ার সময়ও হাতে ফোন নিয়ে থাকে।

তারা হয়তো জানেনা এটা কত বড় মুদ্রাদোষ।

মুরব্বীরা বেয়াদবি বললে অস্বীকার করার উপায় নেই।

সুতরাং বিশেষ কোন প্রয়োজন অথবা একান্ত অবসর সময় ছাড়া সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ থেকে বিরত থাকুন।

মানুষকে সাহায্য করুন

মানুষকে সব সময় টাকা দিয়ে সাহায্য করতে হবে এমন নয়।

আপনি চাইলে মানুষকে তথ্য দিয়ে, বিভিন্ন উপায় বলে সাহায্য করতে পারেন।

অনেকে আছি যারা ৫ টাকার জন্য সবজিওয়ালা অথবা রিক্সাওয়ালার সাথে ঝগড়া করি।

ভিক্ষুককে টাকা না দিয়ে এদেরকে ৫/১০ টাকা বেশি দিন। নতুন বছরে এই অভ্যাসটাও গড়ে তুলতে পারেন।

বিনয়ী হন

আমরা সভ্য জাতিতে বসবাস করলেও বিনয়ী হতে ভুলে গেছি। বিনম্র মানুষদের সবাই অনেক পছন্দ করে।

না বুঝেও অনেক সময় আমরা উঁচু গলায় কথা বলি মা বাবার সাথে, বড়দের সাথে।

নিজের এই ভুল এক সময় অভ্যাসে পরিবর্তিত হয়ে যায়।

আপনারও এই সমস্যা থাকলে এখনি বের হয়ে আসুন। নম্র এবং বিনয়ী হওয়ার চেষ্টা করুন।

 

মাশরাফি তাঁর কথা রাখলেন, এ্যাম্বুলেন্স পেল নড়াইলবাসী

সবার প্রিয় মাশরাফি দেশের জন্য কি করেছেন এবং করছেন তা আমরা সবাই জানি। সম্প্রতি বিপিএল এর আসরে আবার চমক দেখালেন আমাদের অধিনায়ক। পর পর ৪ বার বিপিএল এর কাপ হাতে নিলেন তিনি।

যে দলেই তাকে নেয়া হয় সেই দলেরই যেন ভাগ্য পরিবর্তন করে দেন তিনি।

এবার সেই ধারা বজায় রেখে মাশরাফি বিজয় এনে দিলেন রংপুর রাইডার্স কে। দলটির মালিকপক্ষ বসুন্ধরা গ্রুপ মাশরাফিকে রেঞ্জ রোভার দিতে চেয়েছিল।

বেশকিছু দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি হচ্ছিল যে, নড়াইল সদর হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন।

এরপরই নড়াইলের জন্য রংপুর রাইডার্স কর্তৃপক্ষের কাছে অ্যাম্বুলেন্সটি চান মাশরাফি।

অবশেষে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অধিনায়ককে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করে নড়াইলের ডায়াবেটিক হাসপাতালের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স উপহার দিয়েছে রাইডার্সের মালিকপক্ষ।

চলতি বছরেই নড়াইলবাসীর উন্নয়নে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক গড়ে তুলেন নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন।

এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নড়াইলের মানুষের জন্য নানা উন্নয়নমূলক কাজ করার ইচ্ছা আছে তার।

হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তরের ছবি দেওয়া হয়েছে মাশরাফির ফেসবুক পাতায়ও,

‘বিপিএল টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টের শুরুর আগেই অধিনায়ক মাশরাফি নরাইলবাসীর জন্য একটা এম্বুলেন্স চেয়েছিল “রংপুর রাইডার্স”-র কর্ণধার সাফওয়ান ভাই ও সিইও ইশতিয়াক ভাইয়ের কাছে।

নড়াইল বাসী বেশ কিছুদিন যাবত কিছু সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্ছিত এর মধ্যে একটি এম্বুলেন্স ছিল অত্যধিক প্রয়োজনীয় তালিকার সর্ব প্রথমে।

ফাইনাল খেলা শেষ হবার ৭ দিনের মাথায় “রংপুর রাইডার্স” মাশরাফির গড়া “নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন”-র নিকট হস্তান্তর করলো।’

নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যে কেউ জরুরী দরকারে এই এ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহার করতে পারবে।

 

Rogan Josh: A special Kashmiri meat curry

Rogan Josh is a juicy curry for warming your lunch or dinner table. Follow the recipe and cook it for your lovable persons.

Ingredients

  • Meat 1 kg
  • Mustard/refined oil 1 cup
  • Red chili powder 3 tsp
  • Fennel powder 3 tsp
  • Ginger powder 2 tsp
  • Cumin powder 2 tsp
  • Brown cardamom powder 3 tsp
  • Asafetida 1 tsp
  • Green cardamom 4 pieces
  • Cinnamon sticks 2
  • Bay leaves 2
  • Cloves 2
  • Saffron 1/3 tsp
  • Curd 1 cup

Making way

  1. Heat the oil in a pressure cooker. And that moment wash the meat properly.
  2. Put together cinnamon, bay leaves, green cardamom, cloves, 1 tsp salt, asafetida, and meat.
  3. Until the meat turns brown cook it slowly. When meat turns brown put a cup of water.
  4. Add the chili powder and saffron in the meat and stir it for 2 minutes.
  5. Pour the curd into the pressure cooker.
  6. Stir until you get a mouth warming flavor
  7. Add 2 cups of water, fennel powder, ginger powder, and pressure cook for 2 minutes.
  8. Check if the meat is tender. Peel and grind green and brown cardamom and add to the meat dish.
  9. Finally sprinkle cumin powder and simmer for a minute and serve.

 

The Road Not Taken

Two roads diverged in a yellow wood,

And sorry I could not travel both

And be one traveler, long I stood

And looked down one as far as I could

To where it bent in the undergrowth;

 

Then took the other, as just as fair,

And having perhaps the better claim,

Because it was grassy and wanted wear;

Though as for that the passing there

Had worn them really about the same,

 

And both that morning equally lay

In leaves no step had trodden black.

Oh, I kept the first for another day!

Yet knowing how way leads on to way,

I doubted if I should ever come back.

 

I shall be telling this with a sigh

Somewhere ages and ages hence:

Two roads diverged in a wood, and I—

I took the one less traveled by,

And that has made all the difference.

                                                       ROBERT FROST

 

Source: www.poetryfoundation.org

Poem of Jelaluddin Rumi

Jalaluddin Rumi also known as Jalal ad-Din Muhammad Balkhi. He is the thirteenth century spiritualist poet, was really a standout amongst the most enthusiastic and significant artists ever. Presently, today his quality still stays solid, due to some degree to how his words appear to dribble of the perfect, and startle a significant rememberance that connections all back to the Soul-Essence. Conceived in what is available day Afghanistan in 1207, he created his lord work the Masnawi which comprises of more than 60,000 sonnets previously he kicked the bucket in 1273. The most ideal approach to completely say in words his effect, is that he can portray the Indescribable, Ineffable- – God.

Here we are representing one of his poem.

Not Intrigued With Evening

What the material world values does

not shine the same in the truth of the soul.

You have been interested in your shadow.

Look instead directly at the sun.

What can we know by just

watching the time-and-space shapes of each other?

Someone half-awake in the night sees imaginary dangers;

The morning star rises;

The horizon grows defined;

People become friends in a moving caravan.

Night birds may think

daybreak a kind of darkness,

Because that’s all they know.

It’s a fortunate bird, who’s not intrigued with evening,

Who flies in the sun we call Shams

 

কাঠ এতো দামী হতে পারে? শুনলে বিশ্বাস করতে চাইবেন না

কাঠের আসবাবপত্র কার না ভালো লাগে? অনেকেরেই কাঠের তৈরি জিনিসের প্রতি আছে ভীষণ সৌখিনতা। ঘরের সব কিছু কাঠের তৈরি হলে মন্দ হয় না। বাংলাদেশের ভালো মানের কাঠের তালিকায় আছে লোহা, সেগুন, মেহেগুনি, কাঁঠাল ছাড়া আরও নানান পদের দামী কাঠ। কিন্তু কোন কাঠের দাম যদি হয় ২০,০০০ ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশি  ১৬০০০০০ টাকা। এখনো বিস্ময়ের শেষ হয়নি। এই দাম কিন্তু ১ কেজি কাঠের। অবাক হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। পৃথিবীর সব দামী ও বিস্ময়কর কাঠ নিয়ে আজ আলোচনা করব। জানতে চাইলে আমাদের সাথেই থাকুন।

আফ্রিকান ব্ল্যাক উড

কাঠ
আফ্রিকান ব্ল্যাক

পৃথিবী নামক এই গ্রহের দামী কাঠগুলোর মধ্যে এটি একটি। এই ধরণের কাঠ সাধারণত বাদ্য যন্ত্র বানানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। কাঠের রঙ কুচকুচে কালো হয়। আফ্রিকার শুষ্ক এলাকায় এদের বিচরণ। সাউথ আফ্রিকার কিছু জায়গায়ও এদের পাওয়া যায়। বর্তমানে বিলুপ্ত প্রায় গাছের দলে চলে এসেছে। এটি একটি বৃক্ষ শ্রেণীর গাছ। সুন্দর এই কাঠটি দেখতে খুব বিলাসী আর দামী মনে হয়। প্রতি কেজির দাম পড়বে ৮০০০০০ টাকা।

আগার উড

কাঠ

এটি আকুলিয়ার গাছ থেকে পাওয়া যায়। এটি ইতিমধ্যে 3,000 বছর ধরে বিদ্যমান। কাঠটি প্রাকৃতিক তেল তৈরি করতে পারে। এই কাঠের তেল বিশেষ ধরণের ঘ্রাণ সমন্বিত। এই কাঠটির চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। খুব হাল্কা ওজনের হয়ে থাকে এই কাঠ। কাঠের রঙ কুচকুচে কালো। ছোট ছোট ব্লকে এগুলোকে বিক্রি করা হয়। প্রতি কেজির দাম পড়বে ৮০০০০০ টাকা।

ইবনি উড

কাঠ
ইবনি উড

ডায়ওসপায়রস গাছ থেকে ইবনি কাঠ পাওয়া যায়। এই কাঠগুলো এতটাই হাল্কা হয় যে পানিতে অনায়েসে ভেসে থাকতে পারবে। কালো বৃক্ষ নামেও এরা পরিচিত। পিয়ানো, সেলো, হারপ্সিকরড, ভায়োলিন সহ আরও অনেক ধরণের বাদ্যযন্ত্র বানাতে এই কাঠ ব্যবহার করা হয়। আগার এবং আফ্রিকান ব্ল্যাক উডের মতই দাম।

চন্দন কাঠ

কাঠ
চন্দন কাঠ

এই কাঠটির সাথে কম বেশি সবাই আমরা পরিচিত। চন্দন গাছ থেকে এই কাঠ পাওয়া যায়। চন্দন কাঠের আনুমানিক দাম ১৬০০০০০ টাকা প্রতি কেজি। তাহলে প্রশ্ন আসতে পারে আমরা বাজার থেকে যে সকল কাঠ চন্দন কাঠ ভেবে কিনছি সেগুলো কি আসল। উত্তর টা দাম শুনেই আশা করি বুঝতে পেরেছেন। চন্দন কাঠের ঘ্রাণ এত তীব্র আর বেশি যে বছরের পর বছর এই ঘ্রাণ একি রকম থাকে। নানান পদের সুগন্ধি তেলও বানানো হয় চন্দন কাদ থেকে।

লিগনাম ভিটা

কাঠ
লিগানাম ভিটা

এটি চিরজীবী বৃক্ষ নামে পরিচিত। খুব ধীর গতিতে বাড়ার কারণে এই নাম পেয়েছে লিগনাম ভিটা। সাউথ আফ্রিকা আর কেরাবিয়ান অঞ্চলে এদের পাওয়া যায়। বলিষ্ঠ, ঘনত্ব আর দৃঢ়তার জন্য এই কাঠটি খুবই জনপ্রিয়। প্রতি পাউণ্ড দাম পড়বে ৪০০ টাকা।

পারপেল হার্ট অথবা বেগুনী হৃদয়

কাঠ

পারপেল হার্ট উড একটি অনন্য রঙের কাঠ। নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এর রঙ বেগুনী। সাউথ এবং মধ্য অ্যামেরিকায় এদের পাওয়া যায়। উষ্ণ এলাকায় জন্মে গাছ গুলো। প্রতি বোর্ড ফিট দাম পড়বে ৯৬০ টাকা।

ডালবেরজিয়া

কাঠ
ডালবেরজিয়া উড

আলবার্টিনা গোত্রের একটি গাছ। এগুলো ছোট ও মাঝারী আকারের হয়ে থাকে। সাউথ এবং মধ্য অ্যামেরিকার উষ্ণ এলাকায় এদের পাওয়া যায়। ডালবেরজিয়া এর অদ্ভুত সুন্দর রঙের জন্য বেশ জনপ্রিয়। প্রতি বোর্ড ফিট দাম পড়বে ১১২০-১২৮০ টাকা।

বোকট

কাঠ
বোকট উড

করডিয়া নামক গাছ থেকে এই কাঠটি পাওয়া যায়। গাছটি বোরেজ গোত্রের।

বোকট কাঠের অতিরিক্ত চাহিদার জন্য এর দাম এখন দিন দিন বেড়ে চলছে।

কাঠের রঙ এত সুন্দর যে পলিশ করার কোন দরকারই নেই। প্রতি বোর্ড ফিট দাম পড়বে ২৬৪০ টাকা।

বুবিঙ্গা

কাঠ
বুবিঙ্গা উড

গুইবোরটিয়া গাছ থেকে পাওয়া যায় বুবিঙ্গা কাঠ।

বড় বড় বন, লেক অথবা নদীর পাশেই এই গাছের দেখা মেলে কারণ এই পরিবেশ ওদের বেড়ে উঠার জন্য যথাযথ।

সাধারণত ব্যাংককে এই গাছ গুলো পাওয়া যায়। এই কাঠ সব ধরণের কাজেই ব্যবহার করা যায়।

প্রতি বোর্ড ফিট দাম পড়বে ১৫২০ টাকা।